বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি স্বাক্ষর প্রশ্নবিদ্ধ
আধুনিক প্রজন্মের ৮টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে গত ২২ এপ্রিল চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড। এছাড়া নতুন করে ২টির জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে বিমানের বহরে উড়োজাহাজগুলো যুক্ত হবে। ৮টি উড়োজাহাজের জন্য বোয়িংকে ৮ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকায় (১ দশমিক ২৬৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার) দিতে হবে। এছাড়া নতুন করে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা ২টি ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজের দাম এখনো নির্ধারণ হয়নি। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহবুব জামিলের উপস্থিতিতে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড· এমএ মোমেন ও বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট মারটিন এ বেনট্রট উভয়পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। কুর্মিটোলায় বিমানের ট্রেনিং সেন্টারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি। বিমান নিজস্ব উৎস থেকে প্রাথমিক টাকা দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণের কথা ভাবা হলেও এখন অন্যান্য উৎস থেকেও ঋণ নেয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। মাহবুব জামিল জানান, ২০১৩ সালে ৭৭৭-৩০০ ইআর সরবরাহ করবে বোয়িং। ৭৮৭-৮ মডেলের ৪টি দুই কিস্তিতে ২০১৯ ও ২০২০ সালে সরবরাহ করবে। ২টি ৭৩৭-৮০০ সরবরাহ করবে ২০১৫ সালে। ৭৭৭-৩০০ ইআরের আসন থাকবে ৪৬৩টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ৩৯ ও ইকোনমি ৪২৪। ৭৮৭ এর আসন থাকবে ৩৯৪টি। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাসের ২৬টি ও ইকোনমি ক্লাসের ২৬৮টি। ৭৩৭-৮০০ এর আসন থাকবে ১৭৫।
শুধুমাত্র বোয়িংকেই সরকার পছন্দ করার জন্য তাদের সংগে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এখানেও যে দূর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে তা স্পষ্টই উল্লেখ্য। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিম ব্যাংকের চড়া সুদে লোন গ্রহণও রহস্যজনক বলে অনেকেই মনে করছেন।
Bangla Community News Tags: বাংলাদেশ বিমান
Evergreen Bangla Community


Post Your Comments