বেলজিয়ামে পালিত হলো স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান
অবশেষে বাংলাদেশীদের টনক নড়ল। আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ পেল তার মর্যাদা। এই ধন্যবাদ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশী সোসাইটি বেলজিয়ামের প্রাপ্য। অন্যান্য পূরানো প্রতিষ্ঠিত সংগঠন যখন ঘুমাচ্ছে তখন নবীণ এই সংগঠনটি পালন করলো ও স্মরন করলো স্বাধীনতার জন্য প্রান বিসর্জনকারী মুক্তিসেনাদের। ছোট পরিসরে হলেউ প্রবাসী বাংলাদেশীরা অপেক্ষা করছিল এই দিনটির। বাংলানিউজ যখন তার প্রথম প্রামান্যচিত্রে জনে জনে জিজ্ঞাসা করেছে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে তাদের কোন করনীয় আছে কিনা একমাত্র এই সংগঠনের কর্তাব্যাক্তিরাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এই দিবসটি পালনের। বাংলানিউজ তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যাবাদ জানাচ্ছে।

নানান স্বীমাবদ্ধতার কারনে ঠিক স্বাধীনতা দিবসে হয়তো উদজাপিত হয়নি দিনটি কিংবা সময় পরিবর্তনের কারনে দিধান্বিত দর্শকদের উপস্তিতির কারনে হয়তো দেরী হয়েছে অনুষ্ঠানের শুরু করতে (১২ টার বদলে দুপুর ১ টায়) তারপরও দর্শকদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটেনি একটুও। বরংচ অত্যন্ত আগ্রহী দর্শকদের ভিষন আগ্রহে উজ্জিবিত হয়েছেন দর্শকেরা। যদিও বক্ত্যাদের বক্তব্যে অতিমাত্রায় রাজনৈতিক বক্তব্যা প্রাধান্য পেয়েছে কেউ কেউ হয়তো একে বেলজিয়াম আওয়ামীলিগের বি-টিম হিসাবে আখ্যাদিয়েছে তারপরও নবীণ এই সংগঠনের অনেককিছু শিখার ও জানার আছে। আগত দিনগুলিতে এই সংগঠনটি সেই প্রতিশ্রুতিইতো দিল।
এই সংগঠনটির সভাপতি বজলুর রশীদ বুলু বলিষ্ট কন্ঠে দাবী করলেন প্রবাসীবেলজিয়াম বাসীদের ভোটাধিকার, আমাদের আত্মীয় স্বজনদের ভারতে যাবার হয়রানি দুরকরতে বাংলাদেশে বেলজিয়ামের কনস্যুলেট বা দুতাবাস খোলার দাবী। এগুলোতো সকল বেলজিয়াম প্রবাসীদের প্রানের দাবী। নবীন কন্ঠে এই সংগঠনের সম্পাদক জানালেন যুদ্ধের পরে হয়তো তার জন্ম কিন্তু স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানবার আকুতি। আর যেসমস্ত নবীণ ভাইদের পিছন থেকে দাড়িয়ে ও হাত নাড়িয়ে এই সংগঠনটির সাথে সম্পৃক্ততার কথা জানালেন সেই মূহুর্তে মনে পড়লো কবির সেই বাণী “উদয়ের পথে শুনি কার বাণি ভয় নাই ওরে ভয় নাই, নিঃশেষে প্রান যে করিবে দান ক্ষয় নাই ওরে ক্ষয় নাই”।
অন্যান্য বক্তারা জানালেন স্বাধীনতাদিবসে তাদের সম্পৃক্ততার কথা। হক সাহেব বললেন বাঙ্গালীর দির্ঘ মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস ও তার স্বার্থক পরিনতি এবং বর্তমানের দুঃখ জনক অবস্থা ও আশার কথা। মির্জাফারুক সাহেব, মুক্তিযোদ্ধা শিকদার সাহেব, তাজিন ইসলাম সহ প্রত্যেকেই স্বাধীনতার গুরুত্ব উল্লেখ করে তা রক্ষার আহবান জানালেন। দুতাবাসের বানিজ্য মন্ত্রী জনাব ফজলুল লতিফ বললেন আমাদের রেমিট্যান্সের গুরুত্ব ও দেশ গড়ায় আমাদের অবদানের কথা। এখানকার নতুন প্রজন্ম শিখলো, জানলো হয়তো এখন ব্যাপ্ত হবে শিকড়ের সন্ধানে।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মুর্ছনায় সমাপ্ত হলো একটি সফল আয়োজনের।

সকল শুভকামনা এই সংগঠনটিকে।
Bangla Community News Tags: 26th March, banglanews.be, Belgium, Belgium news, Brussels, independence day
Evergreen Bangla Community


Post Your Comments