দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশকে যুক্তরাজ্য ৮৮৪ কোটি টাকা দেবে

বাংলাদেশের হতদরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিভাগ (ডিএফআইডি) বাংলাদেশকে প্রায় ৮৮৪ কোটি টাকার সমপরিমাণ ৬ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড স্টার্লিং অনুদান সহায়তা দেবে।

আজ পরিকল্পনা কমিশনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে বাংলাদেশ সরকার ও ডিএফআইডি’র মধ্যে এ সংক্রান্তএকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া এবং ডিএফআইডি’র বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি ক্রিস অস্টিন এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্ম সচিব আসলাম ইকবাল এবং ডিএফআইডি’র জীবিকা ও পরিবেশ উপদেষ্টা ইয়োলেন্ড রিথ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ডিএফআইডি’র সহায়তা কর্মসুচির আওতায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীনে ‘ইকোনমিক ইমপাওয়ারমেন্ট অব দ্য পুওরেস্ট (ইএফপি): চ্যালেঞ্জ ফান্ড’ শীর্ষক একটি প্রকল্পে এ অনুদান সহায়তা ব্যয় করা হবে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে ডিএফআইডি’র আবাসিক প্রতিনিধি ক্রিস অস্টিন বাসসকে বলেন, বাংলাদেশে দরিদ্র দুরীকরণ, পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, শিক্ষার বিস্তার ঘটানো, কর্মসংস্থানমুলক প্রশিক্ষণ প্রদান প্রভৃতি কার্যক্রমে অবদান রাখছে। তিনি বাংলাদেশে যুক্তরাজ্য সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, ডিএফআইডি’র এ অনুদান দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও ডিএফআইডি’র অনুদান সহায়তা কাজে লাগবে।

ডিএফআইডি’র এ প্রকল্পের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে- সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন কৌশল পত্রের অনুসরণে দারিদ্র্য হ্রাসে বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদান। ডিএফআইডি’র এই অনুদান সহায়তায় একটি ‘চ্যালেঞ্জ ফান্ড’ গঠন করে ২০১৫ সালের মধ্যে পল­ী ও শহরাঞ্চলের ১০ লাখ মানুষের চরম দারিদ্র্যের উত্তরণ ঘটিয়ে এবং টেকসই জীবিকা নির্বাহের সুযোগ সৃষ্টি করা। প্রকল্পের অধীনে সুবিধাভোগীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য স্বল্প পুঁজি ও গবাদিপশু প্রদান, কর্মসংস্থানমুক প্রশিক্ষণ প্রদান প্রভৃতি কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে। চ্যালেঞ্জ ফান্ড থেকে নির্বাচিত এনজিওদের অর্থায়ন করা হবে, যা তারা সুনির্দিষ্ট প্রকল্পে ব্যয় করবে। প্রকল্পটির কার্যক্রম দেশের বন্যা প্রবণ এলাকা, হাওড় ও ঘুর্ণিঝড় প্রবণ উপকুলীয় অঞ্চল, মঙ্গা প্রবণ এলাকা, শহরাঞ্চলের বস্তি ও অরক্ষিত জনপদে বাস্তবায়ন করা হবে।

সূত্রঃ ইউএনএ, নিউইয়র্ক।

Post Your Comments

All comments are subject to editorial review and decision.

*
To prove you're a person (not a spam script), type the security text shown in the picture. Click here to regenerate some new text.
Click to hear an audio file of the anti-spam word

Free Membership. Join Now!