একাত্তরের বদর কামরুজ্জামান কর্তৃক শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক ভিডিও
জামাত নেতা রাজাকার কামরুজ্জামান কর্তৃক একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফাকে নৃশংসভাবে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার ভিডিও সেনা প্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদকে প্রদান করা হয়েছে। ডিসেম্বরের ৫ তারিখে ঢাকায় সেনা সদর দফতরে সাক্ষাৎ করে জেনারেল মইনকে ভিডিওটি প্রদান করেছেন নিউইয়র্কের লেখিকা এবং বাংলা হলোকাস্ট এন্ড নাৎসী রিসার্চ সেন্টারের প্রধান ডাঃ মিনা ফারাহ। ১৪ জানুয়ারি বার্তা সংস্থা এনাকে ডাঃ মিনা ফারাহ আরো বলেন, ঐ ভিডিওটি আমি নিজে সংগ্রহ করেছি শেরপুরে গিয়ে। কেননা একাত্তর সালে শেরপুর শহরস্থ আমাদের বাড়িকেই আল বদর বাহিনীর ক্যাম্প করা হয়। সে ক্যাম্পের অধিনায়ক ছিলেন বদর বাহিনীর কমান্ডার বর্তমানে জামাত নেতা কামরুজ্জামান। কামরুজ্জামনের সহযোগী রাজাকার মোহন এখনও বেঁচে রয়েছে। মোহনের জবানবন্দিতে স্পষ্ট হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফাকে হত্যার ঘটনাবলী। মোহন বলেছে কামরুজ্জামানের পৈশাচিকতার অনেক অজানা তথ্য। এই ভিডিওটি জামাত নেতা কামরুজ্জামানের যুদ্ধাপরাধীর প্রধান সাক্ষী হতে পারে বলেই তা আমি সেনাপ্রধানের কাছে হস্তান্তর করেছি। একইসাথে তিনি ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের ভিডিও’র কপিও প্রদান করেছেন বলে ডাঃ মিনা ফারাহ জানান। উলে্নখ্য যে, ১২ জানুয়ারি ডাঃ মিনা ফারাহ্্র মালিকানাধীন বাংলাদেশ প্নাজার কনফারেন্স রুমে প্রবাসের সাংবাদিক ও সুধিজনের উপস্থিতিতে রাজাকার মোহনের জবানবন্দি সংবলিত ভিডিওটি প্রদর্শন করা হয়। সে সময় বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী ফারুক-রশীদের একটি সাক্ষাৎকার (যেটি ধারণ করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক এন্থনী ম্যাসক্যারেনহাস) প্রদর্শনও করা হয়। যেখানে বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততার আভাস পাওয়া যায়।
ডাঃ মিনা ফারাহ‘র লেখা ‘হিটলার থেকে জিয়া’ গ্রন্থ আসছে বইমেলায় প্রকাশিত হবে। সে গ্রন্থে গবেষণামূলক তথ্যের ভিত্তিতে ১৭৮টি কারণ উলে্নখ করা হয়েছে। সেখানে পারিপার্শ্বিক যুক্তি-তর্কের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, জিয়াউর রহমান সত্যিকার অর্থে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। জিয়াউর রহমান ছিলেন আইএসআই’র এজেন্ট। ডাঃ মিনা ফারাহ ১২ জানুয়ারির মুক্ত আলোচনাতেও দৃঢ়তার সাথে দাবি করেছেন যে, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের জেল থেকে মুক্তি দিয়েছেন জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং ঘাতকদের প্রধান গোলাম আযমকেও নাগরিকত্ব প্রদান করেছেন জেনারেল জিয়াউর রহমান। ডাঃ মিনা ফারাহ দাবি জানিয়েছেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আগে জিয়াউর রহমানের বিচার হতে হবে। মরনোত্তর বিচারের দাবি করেছেন তিনি। কর্ণেল তাহেরের মত অসম সাহসী যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাকে সাজানো মামলায় ফাঁসি এবং ১৯৭৭ সালে ঢাকা এয়ারপোর্ট বিমান ছিনতাই ঘটনার সময় বিমান বাহিনীর চৌকষ অফিসারদের নির্বিচারে হত্যাসহ পাতানো সামরিক আদালতে শত শত সেনা অফিসারকে হত্যার জন্যেও ডাঃ মিনা ফারাহ দায়ী করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে। তিনি দাবি জানিয়েছেন জিয়া উদ্যান এবং জিয়া এয়ারপোর্টের নাম পাল্টানোর জন্য।
সূত্রঃ নিউইয়র্ক থেকে এনা।
Evergreen Bangla Community



The publicity regarding the book “Hitler to Zia” should expaned. I think this is another battle of “fredom for justice” by which Bangladesh achive versatile liberty from all kinds of in huminity. The historical events of our libaration movements are irrivarsibley destroyed by Zia and his political party. So such types of bookw will make new conclustin regarding our country and help to thing what is right , what is worng. And help to take decission what you have to do. It is clear that our real fredom were loted in 1975 and we have to start new battle to discover it.
Thank you
Md. Ruhul Amin
57/Y/2 Manik Nagar
Dhaka-1203
Bangladesh
I think all bangladeshi should want to view the video. if anybody upload it in youtube we can share with it and i must ad it in my site.