তোয়াব খানকে নিউইয়র্কের সাংবাদিকদের ফুলেল শুভেচ্ছা

বাংলাদেশে সাংবাদিকতায় ভিন্ন ধারা সৃষ্টিকারী প্রবীণ সাংবাদিক দৈনিক জনকন্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক তোয়াব খানের সাংবাদিকতা জীবনের ৫০ বছর পূর্তি (১৯৫৬-২০০৭) উপলক্ষে ২৭ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় তাঁকে। নিউইয়র্ক হতে প্রকাশিত বাংলা ভাষার পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা এবং ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সম্পাদক, পরিচালক, প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এ অনুষ্ঠানে। উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশীদের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশ প্নাজা’র কনফারেন্স রুমে তোয়াব খানের বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বার্তা সংস্থা এনা এবং ঠিকানা’র প্রেসিডেন্ট সাঈদ-উর রব। এরপর তোয়াব খানের জীবনী আলোকপাত করেন অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলার সাবেক সিটি এডিটর মঞ্জুর আহমেদ। প্রবাসী সাংবাদিক মাহফুজুর রহমানের সঞ্চালনে তোয়াবখানের সাথে এ সময় সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময়ে অংশ নেন এনা সম্পাদক লাবলু আনসার, সাপ্তাহিক দর্পনের প্রেসিডেন্ট মঞ্জুর হোসেন, ঠিকানার চীফ রিপোর্টার মিজানুর রহমান, সাপ্তাহিক বাঙালির চীফ রিপোর্টার গোলাম মলি্নক, এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার আবু দারদা যোবায়ের, সাপ্তাহিক ২০০০ এর নিউইয়র্ক প্রতিনিধি আকবর হায়দার কিরণ, ফোকাস বাংলার নিহার সিদ্দিকী, প্রবীন সাংবাদিক আব্দুর রহিম আযাদ, শিতাংশু গুহ, আমানউদ্দৌলাহ প্রমুখ।

আইয়ুব, জিয়া, এরশাদের সামরিক শাসন এবং প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তথ্য বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার আলোকে তোয়াব খান বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনভাবে কাজ করার ব্যাপারটি সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধতার উপর নির্ভরশীল। সকল সাংবাদিক যদি ঐক্যবদ্ধ থাকেন তাহলে কোন অপশক্তিই সংবাদপত্রের কন্ঠ চেপে ধরতে পারে না। ইতিহাস এর সাক্ষী। তোয়াব খান বলেন, পাকিস্তানের মত বোমা সন্ত্রাস চালিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার পরিবেশ এখন আর নেই। কেননা রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রভাবশালী কোন মহলের মদদ বা পৃষ্ঠপোষকতা ব্যতিত আল ক্বায়েদা কিংবা তালেবানরা বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলায় সাহস পায় না। তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট শেখ হাসিনার উপর বোমা হামলার ৩ বছর পর তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ৩ বছরে কেন তদন্ত হয়নি সে ব্যাপারটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলেই অনেক কিছু স্পষ্ট হবে। তোয়াব খান জোর দিয়ে বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদের উত্থানের কোন পরিবেশ বা সুযোগ আমি দেখি না।

কেয়ারটেকার সরকারের দুর্নীতি দমন অভিযান প্রসঙ্গে তোয়াব খান বলেন, আইন করে কিংবা জোর করে দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব হবে না। মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন করতে পারলে আপনা-আপনি দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে। উলে্নখ্য যে, ব্যক্তিগত সফরে মাসখানেক আগে তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে এসেছেন। সেখান থেকে দুদিন আগে নিউইয়র্কে এসেছিলেন। ২৭ ডিসেম্বর রাতে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগের আগে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রদত্ত এ উষ্ণ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তোয়াব খান। তিনি প্রবাসে সাংবাদিকতার প্রশংসা করেন এবং দেশের স্বার্থে প্রবাসীদের নিরন্তর প্রয়াসের কথা বারবার উলে্নখ করেন।

খবরঃ এনা, নিউইয়র্ক।

Bangla Community News Tags:

Post Your Comments

All comments are subject to editorial review and decision.

*
To prove you're a person (not a spam script), type the security text shown in the picture. Click here to regenerate some new text.
Click to hear an audio file of the anti-spam word

Free Membership. Join Now!