তপন মাহমুদ ও বুলা মাহমুদের সঙ্গীত সন্ধ্যা
একটি অসাধারন সন্ধ্যা নেমেছিলো গত ৯ সেপ্টেম্বর, রবিবার ক্যাম্বেলটাউন আর্ট সেন্টার মিলনায়তনে। বাংলাদেশের খ্যাতিমান সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব তপন মাহমুদ , বুলা মাহমুদ ও তাদের কন্যা তুহিনা মাহমুদ মিষ্টিকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন তাদের প্রিয় ভক্তদের সামনে, মুগ্ধ শ্রোতাদের সামনে। অনেকদিন এধরনের একটি অনুষ্ঠান হয়না সিডনিতে।এখনো যে, রবীন্দ্র সঙ্গীত আর পুরনো দিনের গানের আবেদন অন্য সব গানের চে’ বেশী সেটাই প্রমান করলেন শিল্পীরা, শ্রোতারাও। শিল্পীরা যেমন সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন প্রান খুলে দিয়ে ঠিক তেমনি তা’ দর্শক-শ্রোতারাও মুগ্ধ হয়ে ধারন করেছেন। প্রতিটি গানই যেন উপস্থিত সকলের হৃদয় ছুঁয়ে যাচ্ছিলো। অনুষ্ঠানটি একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলেও শিল্পী আর শ্রোতাদের একাত্মতায় তা তৈরি করেছিলো একটি একান্ত ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আমেজ। যা পুরো অনুষ্ঠানটিকে দিয়েছিলো এক ভিনড়ব মাত্রা। শিল্পীরা অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো মিলনায়তনে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, একটি গান শেষ হয়ে যাবার পরও আনন্দিত শ্রোতারা জোরে করতালি দিতে ভয় পাচ্ছিলেন যদি পরিবেশ ভেঙ্গে যায়, মুগ্ধতা কেটে যায়। দক্ষ আয়োজকরাও মঞ্চ সজ্জার ব্যাপারে এতোটাই মুন্সীয়ানার পরিচয় দিয়েছিলেন যে, শিল্পীদের গান নির্বাচন, গায়কী ভঙ্গী আর শ্রোতাদের নিঃশব্দ অনুভবের সঙ্গে আলো আঁধারী মিলনায়তনও যেন একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলো।
ই অনুষ্ঠানের আয়োজকদের অন্যতম ইফতেখার আবদুল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন, প্রথম থেকেই আমাদের পরিকল্পনা ছিলো কিছু নির্বাচিত সঙ্গীত প্রিয় মানুষদের নিয়ে একেবারে ঘরোয়াভাবে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করবো।’ শিল্ফী তপন মাহমুদেও অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী কন্যা তুহিনা মাহমুদ মিষ্টি জানিয়েছেন, বাবা মূলত আমার এখানে বেড়াতে এসেছেন। এই শহরে বাবার কিছু ঘনিষ্ট বন্ধু আছেন, কিছু প্রিয় মানুষ এবং কিছু ভক্ত আছেন। প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম, সবাই কারো বাসায় বসবো। তালিকা তৈরি করতে গিয়ে দেখা গেল প্রচুর লোককে আমন্ত্রন জানাতে হবে। এখশ’র উপর। তখন সবাই বললেন, এতো লোককে তো কারো বাসায় ডাকা সম্ভব নয়। তাই আমরা ছোট একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। আমার খুব ভালো লেগেছে যে, আমাদের গান সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে শুনেছেন।
এমন একটি চমৎকার অনুষ্ঠান উপহার দেবার জন্যে যাদেরকে ধন্যবাদ না জানালে অন্যায় হবে তারা হলেন, ইফতেখার আবদুল্লাহ, এহসানুল হক, জাহিদুল ইসলাম, তারিক খান হিমু ও নাহিদ সিদ্দিকী।
সূত্রঃ সোনার বাংলা রিপোর্ট, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
Evergreen Bangla Community


Post Your Comments