গাজীপুর জেলা এসোসিয়েশনের বনভোজন ২০০৭
সেদিন ছিল রবিবার ১৫ই জুলাই। ক্রোটন পয়েন্ট পার্ক, ওয়েস্টচেস্টারে গাজীপুর জেলা এসোসিয়েশন মেতে উঠেছিল এক বর্নাট্য বনভোজনে। সকাল থেকেই ছিল চমৎকার আবহাওয়া। জ্যাকসন হাইটসে সকাল থেকেই ভীড় করছিল প্রবাসী গাজীপুরের সবাই। কারন এখানেই অপেক্ষা করছিল ইউ এস এ কোচের চক্চকে একটি বাস। আগন্তুকদের অর্ভ্যথনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি জনাব আবুল মনসুর খান, বর্তমান সভাপতি হালিম সরকার, সা. সম্পাধক সিরাজুল মোড়ল, যুগ্ম সা. সম্পাধক পাভেল চৌধূরি এবং বনভোজন কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ সহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত অতিথিদের মাঝে নাস্তা পরিবেশনায় সহযোগিতা করেন, সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন ভূইয়া ও মুজিবুর রহমান। সকাল প্রায় ১০ ঘটিকার সময় বাস ছেড়ে যায় ক্রোটন পয়েন্ট পাকের্র উদ্দ্যেশে। পার্কে দুই নং প্যাভেলিয়নে অতিথিদের বরন করেন, মিসেস মনসুর খান, মিসেস মিনারা সরকার, মে হুমায়ারা আজাদ, আমজাদ হোসেন সহ আরও অনেকে। হাডসন নদীর পাড়ে পাহাড়ের উপর গাছপালায় ঘেরা মনোরম পরিবেশে বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে বনভোজনটি আনুষ্টানিকভাবে উদ্ববোধন করেন প্রধান অতিথি জনাব নাঈম আহমেদ ও মনসুর খান। সেখান থেকে প্যাভেলিয়নে ফিরে এসে সকলে মিলে তরমুজ ও চেরী ফল উপভোগ করেন। পরপরই অনেকে বেরিয়ে পরেন পার্কের আনাচে কানাচে ঘুরে দেখার জন্য। রোদ্র উজ্জল দিনে পাহাড়ের উপর থেকে হাডসন নদীর দৃশ্য সকলকেই বাংলাদেশের রাংগামটির কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রবাসের এই কর্মব্যস্ত জীবনে এমন দৃশ্য উপভোগ করতে পেরে সবাই যেন ভুলে যায় সব কাজের প্ররিশ্রমের কথা, ব্যাস্ত জীবনের কথা।
কিছুক্ষন পরেই শুরু হয় বয়স অনুসারে বাচ্চাদের দৌড় প্রতিযোগিতা। এতে যারা ১ম, ২য়, এবং ৩য় হয় তারা হল (১-৫ ছেলে) সালমান খান, নাবিল ও আরিয়ানা, (মেয়ে) তাসপি, সামিরা ও আডুরা। (৬-৮ ছেলে) সাদমান, রিজভী ও নহিয়ান (মেয়ে) মেরিন, নওসীন ও মিশেল। (৯-১৩ ছেলে) মেরিক ইসলাম, রাব্বি ও সাফকাত (মেয়ে) আজমির −হাসেন, কানন ও নাবিলা। (১৪-১৮ ছেলে) শুভ, তানজীত ও সৌরভ (মেয়ে) সারা, জুতি ও সাদিয়া। মহিলাদের বালিশ খেলায় ১ম মিসেস সাইলা আলম, ২য় নওসীন সরকার ৩য় সাদিয়া। এছাড়াও পুরুষদের মাঝে বিশ মিনিটের একটি বর্নাট্য ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়। খেলাটি ২-১ −গালে সমাপ্তি হয়। খেলাধূলা পরিচালনায় ছিলেন মহিউদ্দিন আহ্মেদ দুলু, হুমায়ন কবির বাংলাদেশের দ্রুততম মানব জনাব মবিন, শফিউল আলম টিটু ও হাশেম আলী। দুপুর প্রায় ১:৩০ মি. সাগর রেষ্টুরেন্টের মজাদার মধ্যাহ্ন ভোজ পরিবেশন করা হয় সভাপতি হালিম সরকারের সৌজনে্য। এতে সহযোগিতা করেন মো: কামরুল হাসান আইয়ুব, ইকবাল হোসেন ভূইয়া বাচ্চু, আবুল কালাম আজাদ, মাসুদ রানা, খন্দ: মুজিবুর রহমান, আবুল মনসূর খান, তৈমূর রহমান, সিরাজুল মোড়ল বাবুল ও পাভেল চৌধুরী। মধাহ্ন ভোজন শেষে পান, সুপারি ও চুনের ব্যাবস্থা থাকায় অনেক অন:বভ্যস্থকেই লাল ঠোঁটে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। একই সাথে অতিথিরা অনেকেই স্বতঃফূর্তভাবে র্যাফেল ড্রর টিকেট কিনে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করেন। আর্কষনীয় পুরস্কারের প্রত্যাশায় প্রায় প্রত্যকেই একাদিক টিকেট সংগ্রহ করেন।
বিকালে আরজু মোমেনের পরিচালনায় সংগীত পরিবেশন করেন শাহরিন সুলতানা, ঋষা, আমজান হোসেন সহ আরো অনেকে। পরপরই সা. সম্পাদক সিরাজুল মোড়ল নব নির্বাচিত কার্যকরি কমিটিকে (২০০৭-২০১০) সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। পরিশষে বাচ্চাদের মাঝে সান্তনা পুরস্কার সহ খেলাধূলার পুরস্কার বিতরন করেন প্রফেসর মো: হাবিউল্লাহ, নাঈম আহমেদ, আবুল মনসুর খান, হালিম সরকার, মুজিবুর রহমান। রাফেল ড্রর আকর্ষনীয় ১ম পুরস্কার ল্যাপটপটি পান মাসুদ রানার পুত্র দিব্য। সমগ্র বনভোজনটি ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন পাভেল চৌধুরী।
Evergreen Bangla Community
Post Your Comments