ওরল্যান্ডোতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রূপার মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন

সেন্ট্রাল ফ্লোরিডার ওরল্যান্ডো সিটির সন্নিকটে ডিল্যান্ড এলাকায় হান্টার ক্রিক কমপ্লেক্সে ১৬ জুলাই রূপা (২০) নামে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত একজন মহিলার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে নানা শংকা দেখা দিয়েছে। মৃত্যুর দিন দুপুরে রূপার বাবা-মা এবং একমাত্র ভাই কেউই বাসায় ছিলেন না। বিকেল ৩টার রূপার মা বাসায় ঢুকেই আঁত্‌কে ওঠেন–বেডরুমে একমাত্র মেয়ের লাশ ঝুলছে ওড়নায় পেঁচানো অবস্থায়। বাসার সন্নিকটে নিজেদের ব্যবসা গ্যাস স্টেশনে খবর দেন রূপার বাবাকে। তিনি বাসায় আসার পরপরই পুলিশ আসে এবং লাসটি ময়না তদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে যায়।

রূপার বাবার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে প্রতিবেশী বাঙ্গালীরা ঠিকানাকে ফোনে করে জানিয়েছেন যে, এক বছর আগে রূপা বাংলাদেশে গিয়েছিলেন এবং বাবা-মা'র পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করেছেন। স্বামিকে তিনি স্পন্সরও করেছিলেন। প্রতিবেশীরা আরো জানিয়েছেন যে ঐ এলাকায় আরো অনেক বাঙ্গালী থাকেন এবং তাদের কেউ কেউ প্রায়ই রূপাকে বিরক্ত করতেন। এ নিয়ে প্রায় ৩ বার পুলিশ ডাকা হলেও অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। রূপার আমেরিকান পোষাক-আষাক নিয়েও অনেকে নানাভাবে তিরস্কার করতেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশী এক গৃহিনী। রূপার আত্মহত্যার পিছনে এগুলোও কারণ হতে পারে ধারনা করা হচ্ছে। তবে পুলিশী রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। পরিবারের লোকজনের ধারনা আত্মহত্যা করার মত কিছুই ঘটেনি। এখান থেকে অনেকের মনে খুব হবার প্রশ্নও উঠেছে।

সূত্রঃ সাপ্তাহিক ঠিকানা, নিউইয়র্ক, ২০ জলাই, ২০০৭

Post Your Comments

All comments are subject to editorial review and decision.

*
To prove you're a person (not a spam script), type the security text shown in the picture. Click here to regenerate some new text.
Click to hear an audio file of the anti-spam word

Free Membership. Join Now!